Dhaka 12:57 am, Wednesday, 3 June 2026
শিরোনাম :
দুর্দান্ত অভিনেতা শুভাশীষ দত্ত তন্ময় এর অভিনীত “দমের মাদার” নাটকের ৮০ তম মঞ্চায়ন আজ জিনিয়া তাসমিন টুম্পা প্রতারণা মামলায় আবারও আলোচনায় বাবুল আখতার মা হারানো শিশুর হৃদয়ছোঁয়া গল্পে নির্মিত নাটক ‘মা তুমি কোন আকাশে থাকো’ প্রেমের ফাঁদ, কোটি টাকার প্রতারণা! নার্স টুম্পাকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সিলেট পলিটেকনিকে স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে “বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩” উদযাপিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত না ফেরার দেশে সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ জামিনে মুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন গাজীপুর-৪ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জান্নাতুল ফেরদৌসী

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের জায়গা চূড়ান্ত

ফাইল ছবি।

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে স্থান চূড়ান্ত করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। রাজধানীর শেরে বাংলা নগর এলাকায় বিদ্যমান গণভবনের পাশেই নতুন এই বাসভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। জানা যায়, স্থান নির্ধারণের পরপরই স্থাপত্য অধিদফতর নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নকশা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে।

গণপূর্ত অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, আগামী সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণ করলে তার চূড়ান্ত মতামত অনুযায়ী বাসভবন নির্মাণকাজ শুরু করা হবে। তবে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে আনুমানিক দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে। এ সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অস্থায়ী বাসভবন হিসেবে বিকল্প কয়েকটি স্থানের কথা ভাবা হয়েছে।

সূত্র মতে, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ অথবা সংসদ ভবনসংলগ্ন স্পিকারের সরকারি বাসভবনকে প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হতে পারে। বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করবে দায়িত্ব গ্রহণকারী প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের ওপর। তিনি চাইলে স্পিকারের বাসভবনের সঙ্গে লাগোয়া ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনকেও একত্রিত করে ব্যবহারযোগ্য করে তোলার সুযোগ রাখা হয়েছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচনের পরপরই নতুন প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। এর আগে দীর্ঘদিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল শেরে বাংলা নগরের ‘গণভবন’। তবে জুলাই অভ্যুত্থানের পর গণভবন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে এবং কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার ঐতিহাসিক সেই ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতে গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়। বর্তমানে জাদুঘর নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।

Timeless Blog

Nulla at nunc in ipsum dictum tincidunt ac rhoncus tellus. Vestibulum convallis non elit euismod malesuada. Nulla eget tempor arcu. Etiam dignissim arcu non fermentum sollicitudin. Cras eget vulputate eros. Morbi nulla tellus, volutpat sit amet semper ut, consequat sit amet velit. Morbi non mauris vel orci rhoncus aliquet eu quis felis. Donec lobortis viverra nulla non bibendum.

About Author Information

দুর্দান্ত অভিনেতা শুভাশীষ দত্ত তন্ময় এর অভিনীত “দমের মাদার” নাটকের ৮০ তম মঞ্চায়ন আজ

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের জায়গা চূড়ান্ত

Update Time : 11:21:19 pm, Saturday, 31 January 2026

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে স্থান চূড়ান্ত করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। রাজধানীর শেরে বাংলা নগর এলাকায় বিদ্যমান গণভবনের পাশেই নতুন এই বাসভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। জানা যায়, স্থান নির্ধারণের পরপরই স্থাপত্য অধিদফতর নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নকশা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে।

গণপূর্ত অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, আগামী সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণ করলে তার চূড়ান্ত মতামত অনুযায়ী বাসভবন নির্মাণকাজ শুরু করা হবে। তবে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে আনুমানিক দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে। এ সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অস্থায়ী বাসভবন হিসেবে বিকল্প কয়েকটি স্থানের কথা ভাবা হয়েছে।

সূত্র মতে, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ অথবা সংসদ ভবনসংলগ্ন স্পিকারের সরকারি বাসভবনকে প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হতে পারে। বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করবে দায়িত্ব গ্রহণকারী প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের ওপর। তিনি চাইলে স্পিকারের বাসভবনের সঙ্গে লাগোয়া ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনকেও একত্রিত করে ব্যবহারযোগ্য করে তোলার সুযোগ রাখা হয়েছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচনের পরপরই নতুন প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। এর আগে দীর্ঘদিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল শেরে বাংলা নগরের ‘গণভবন’। তবে জুলাই অভ্যুত্থানের পর গণভবন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে এবং কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার ঐতিহাসিক সেই ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতে গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়। বর্তমানে জাদুঘর নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।