Dhaka 5:09 pm, Saturday, 18 April 2026
শিরোনাম :
সিলেট পলিটেকনিকে স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে “বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩” উদযাপিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত না ফেরার দেশে সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ জামিনে মুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন গাজীপুর-৪ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জান্নাতুল ফেরদৌসী পহেলা বৈশাখের দিন ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে চাঁদাবাজদের ‘পক্ষপাতমুক্ত’ তালিকা তৈরির কাজ করছে র‍্যাব সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনী তফশিল ঘোষণা নতুন দায়িত্বে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. শামছুল ইসলাম

স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে “বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩” উদযাপিত

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপিত। ছবিঃ সংগৃহীত।

“অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা…” এই প্রতিপাদ্যের আলোকে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে এবারও বর্ণিল শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপিত হলো “বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩”

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসে উপাচার্য প্রফেসর ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের তার স্বাগত বক্তব্য রাখার মাধ্যমে দিনব্যাপী এ আয়োজনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

স্বাগত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, বাঙালি সংস্কৃতির অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐতিহ্য ও নববর্ষের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির আত্মপরিচয়ের প্রতীক এবং নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়। বর্তমান প্রজন্মকে এই সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে ভ্রাতৃত্ববোধ, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে একটি সুন্দর সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।

পরবর্তীতে, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে বের হয় বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা। লাল-সাদা পোশাক, মুখোশ, গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা অনুষঙ্গ ও উৎসবমুখর সাজে সজ্জিত অংশগ্রহণকারীরা শোভাযাত্রাকে প্রাণবন্ত করে তোলেন। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্কেটবল গ্রাউন্ড থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে আবার একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রা শেষে উপাচার্য ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের বৈশাখী মেলার স্টল উদ্বোধন করেন। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের উদ্যোগে সর্বমোট ১৪ টি স্টল নিয়ে মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। এবারের স্টলগুলোতে ছিল বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পান্থা-ইলিশ, খিচুরী, মেহেদী স্টল, মুড়ি-মুড়কি, চটপটি, শরবত, মুড়ি মাখা, আচার, ফুলের স্টলসহ বাহারি জিনিসপত্র, যা শিক্ষার্থীদের মাঝে এক ভিন্ন আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে।

পহেলা বৈশাখের এই দিনে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনটি সম্পর্কে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের প্রভাষক ফারিয়া জাহান তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করে বলেন, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে বাংলা নববর্ষের আয়োজন যেন এক টুকরো জীবন্ত উৎসবের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ক্যাম্পাস ভরে উঠেছে রঙ, প্রাণ আর উদ্দীপনায়। বিভিন্ন বিভাগের সৃজনশীল স্টল, দেশীয় উপস্থাপনা ও আন্তরিক প্রয়াস আমাকে মুগ্ধ করেছে। একজন শিক্ষক হিসেবে এই সুশৃঙ্খল, সম্মিলিত ও হৃদয়ছোঁয়া আয়োজন আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রদীপ্ত মোবারক জানান, নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

মেলাটির শেষপ্রান্তে এসে পরিবেশিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যেখানে শিক্ষার্থীরা গান, নৃত্য, আবৃত্তি পরিবেশনের মাধ্যমে নতুন বর্ষকে নিজেদের মাঝে আপন করে নেয়।

Timeless Blog

Nulla at nunc in ipsum dictum tincidunt ac rhoncus tellus. Vestibulum convallis non elit euismod malesuada. Nulla eget tempor arcu. Etiam dignissim arcu non fermentum sollicitudin. Cras eget vulputate eros. Morbi nulla tellus, volutpat sit amet semper ut, consequat sit amet velit. Morbi non mauris vel orci rhoncus aliquet eu quis felis. Donec lobortis viverra nulla non bibendum.

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সিলেট পলিটেকনিকে স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত

স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে “বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩” উদযাপিত

Update Time : 04:01:18 pm, Tuesday, 14 April 2026

“অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা…” এই প্রতিপাদ্যের আলোকে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে এবারও বর্ণিল শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপিত হলো “বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩”

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসে উপাচার্য প্রফেসর ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের তার স্বাগত বক্তব্য রাখার মাধ্যমে দিনব্যাপী এ আয়োজনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

স্বাগত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, বাঙালি সংস্কৃতির অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐতিহ্য ও নববর্ষের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির আত্মপরিচয়ের প্রতীক এবং নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়। বর্তমান প্রজন্মকে এই সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে ভ্রাতৃত্ববোধ, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে একটি সুন্দর সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।

পরবর্তীতে, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে বের হয় বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা। লাল-সাদা পোশাক, মুখোশ, গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা অনুষঙ্গ ও উৎসবমুখর সাজে সজ্জিত অংশগ্রহণকারীরা শোভাযাত্রাকে প্রাণবন্ত করে তোলেন। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্কেটবল গ্রাউন্ড থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে আবার একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রা শেষে উপাচার্য ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের বৈশাখী মেলার স্টল উদ্বোধন করেন। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের উদ্যোগে সর্বমোট ১৪ টি স্টল নিয়ে মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। এবারের স্টলগুলোতে ছিল বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পান্থা-ইলিশ, খিচুরী, মেহেদী স্টল, মুড়ি-মুড়কি, চটপটি, শরবত, মুড়ি মাখা, আচার, ফুলের স্টলসহ বাহারি জিনিসপত্র, যা শিক্ষার্থীদের মাঝে এক ভিন্ন আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে।

পহেলা বৈশাখের এই দিনে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনটি সম্পর্কে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের প্রভাষক ফারিয়া জাহান তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করে বলেন, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে বাংলা নববর্ষের আয়োজন যেন এক টুকরো জীবন্ত উৎসবের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ক্যাম্পাস ভরে উঠেছে রঙ, প্রাণ আর উদ্দীপনায়। বিভিন্ন বিভাগের সৃজনশীল স্টল, দেশীয় উপস্থাপনা ও আন্তরিক প্রয়াস আমাকে মুগ্ধ করেছে। একজন শিক্ষক হিসেবে এই সুশৃঙ্খল, সম্মিলিত ও হৃদয়ছোঁয়া আয়োজন আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রদীপ্ত মোবারক জানান, নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

মেলাটির শেষপ্রান্তে এসে পরিবেশিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যেখানে শিক্ষার্থীরা গান, নৃত্য, আবৃত্তি পরিবেশনের মাধ্যমে নতুন বর্ষকে নিজেদের মাঝে আপন করে নেয়।