স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশনায় সারাদেশে চাঁদাবাজ নির্মূলে পক্ষপাতমুক্ত তালিকা তৈরির কাজ চলছে এবং তালিকা ধরে শিগগিরই অভিযান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
তালিকা প্রস্তুতির বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা না জানালেও তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করে মাঠে অভিযান শুরু করা হবে। আজকেও হতে পারে।
তালিকায় রাজনৈতিক ব্যক্তিরা থাকলে কী হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, তালিকা হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব থাকবে না। যে অপরাধী, তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইন্তেখাব চৌধুরী আরও জানান, চাঁদাবাজি শুধু একটি নির্দিষ্ট খাতে সীমাবদ্ধ নয়। পরিবহন খাতে মহাসড়ককেন্দ্রিক চাঁদাবাজি, বাজারে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাপ সৃষ্টি, সব ধরনের চাঁদাবাজিকে এই তালিকার আওতায় আনা হচ্ছে। ছোট থেকে বড় সব স্তরের অপরাধীকেই বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে।
শুক্ররাব (১০ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর একটি কিডনি হাসপাতালে চাঁদা দাবির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি প্রথমে পুলিশের কাছে গেছে এবং যাচাই-বাছাই চলছে। একইসঙ্গে র্যাবও ছায়া তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক একটি বড় ইয়াবা চালান আটকের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে যারা ধরা পড়ে তারা সাধারণত নিম্নস্তরের সদস্য। তবে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল হোতা বা গডফাদারদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হয়। একদিনে সব হয় না, কিন্তু আমাদের চেষ্টা চলমান থাকে।
সংবাদ সম্মেলনে চাঁদাবাজিসহ বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর ঘটনার চিত্র তুলে ধরা হয়।যার মধ্যে গত ৪৮ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, মানবপাচারকারী ও মাদক ব্যবসায়ীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পাশাপাশি, চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ব্যবসায়ীর কব্জি বিচ্ছিন্নের ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি পতেঙ্গা উপকূলে ট্রলারে অভিযান চালিয়ে ৫ লাখ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়েছে ৯ জন।
এছাড়া, ৫০ হাজার লিটারের বেশি ভোজ্যতেল জব্দ করেছে র্যাব।
ডেস্ক রিপোর্ট 
















