Dhaka 12:21 am, Sunday, 19 April 2026
শিরোনাম :
সিলেট পলিটেকনিকে স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে “বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩” উদযাপিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত না ফেরার দেশে সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ জামিনে মুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন গাজীপুর-৪ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জান্নাতুল ফেরদৌসী পহেলা বৈশাখের দিন ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে চাঁদাবাজদের ‘পক্ষপাতমুক্ত’ তালিকা তৈরির কাজ করছে র‍্যাব সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনী তফশিল ঘোষণা নতুন দায়িত্বে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. শামছুল ইসলাম

পুরুষই নারীর পরিচালক, এটা মেনে নিয়েই রাজনীতিতে এসেছি- জামায়াত মহিলা বিভাগ সেক্রেটারি

সংগৃহীত।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন নেসা সিদ্দীকা বলেছেন, নারীরা জামায়াতের আমির হতে পারবেন না। আমরা একটা ইসলামি দল। আসলে পুরুষই নারীর পরিচালক, এটা মেনে নিয়ে আমরা রাজনীতিতে এসেছি।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।

এদিন দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দলটির মহিলা শাখার চার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নূরুন নেসা সিদ্দীকা বলেন, শীর্ষ পদে নারীরা ক্ষমতায় আছে কিনা সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নারীর অধিকার আদায় হচ্ছে কিনা।

জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি আরও বলেন, গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশে দুইজন নারী প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিলেন। কিন্তু নারীদের সমস্যার তেমন একটা পরিবর্তন ঘটেনি।

এদিন বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে বসে মহিলা জামায়াতের নেত্রীরা। ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে নানা অভিযোগ সিইসির কাছে উপস্থাপন করা হয়।

জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন নেসা সিদ্দীকা, সহকারী সেক্রেটারি সাঈদা রুম্মান, সদস্য মারজিয়া বেগম ও ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট বৈঠকে অংশ নেন।

এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য অলিউল্লাহ নোমান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে জামায়াতের নারী নেত্রীরা বলেন, ভোটের প্রচারে গিয়ে দলটির নারী সদস্যরা আক্রমণের শিকার হন। নারী কর্মীরা যখন ভোটের প্রচারণায় যাচ্ছেন তখন একদল লোক হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন নারীরা। সাইবার সিকিউরিটি আইনে প্রস্তুতি নিয়েছি। এ ধরনের কার্যক্রম এবং দলের শীর্ষ নেতার আইডি হ্যাক করে কুরুচিপূর্ণ ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য করা হচ্ছে।

যারা এ কাজে জড়িত তাদের খোঁজ নিয়ে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান জামায়াতের এই নারী নেত্রীরা। তারা বলেন, আমরা সুন্দর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রত্যাশা করছি। এটি জাতিরও প্রত্যাশা। দুটো নির্বাচন একসঙ্গে হচ্ছে। এই নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটা ইতিবাচক নির্বাচন আমাদের প্রত্যাশা।

এ ব্যাপারে সরকার দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

জামায়াত নেত্রীরা বলেন, এই প্রথম জামাতের মহিলা উইং থেকে আমরা নির্বাচন কমিশন এসেছি। সারা বাংলাদেশে আমাদের মা-বোনদের ওপর যে হামলা হয়েছে সে বিষয়ে আমরা কথা বলেছি। আমরা ঘরে বসে থাকতে পারিনি। আমরা স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। বাংলাদেশে ফিফটি পার্সেন্ট নারী। আমরা সুষ্ঠু একটা পরিবেশ ভোট দিতে চাই। এই বোনদের প্রতিহত করতে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমাদের ৫০ পার্সেন্ট আমরা রিপ্রেজেন্ট করছি। এই অর্গানাইজেশনে আমাদের অধিকার দিচ্ছে, আমাদের সম্মান দিচ্ছে। আমাদের মেয়েদের মধ্যে কাজ হচ্ছে। আমরা লিডারশিপ দিচ্ছি। আমরা ট্রেনিং নিচ্ছি। কিছু মহল এই অ্যাক্টিভিটি পছন্দ করছে না। তাই প্রতিহিংসার কারণে আমাদের ওপর হামলা করছে। আমরা কোনো খারাপ কাজ করছি না। একটা সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ করে দেওয়ার জন্য ইসির কাছে দাবি জানিয়েছি।

Timeless Blog

Nulla at nunc in ipsum dictum tincidunt ac rhoncus tellus. Vestibulum convallis non elit euismod malesuada. Nulla eget tempor arcu. Etiam dignissim arcu non fermentum sollicitudin. Cras eget vulputate eros. Morbi nulla tellus, volutpat sit amet semper ut, consequat sit amet velit. Morbi non mauris vel orci rhoncus aliquet eu quis felis. Donec lobortis viverra nulla non bibendum.

About Author Information

সিলেট পলিটেকনিকে স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত

পুরুষই নারীর পরিচালক, এটা মেনে নিয়েই রাজনীতিতে এসেছি- জামায়াত মহিলা বিভাগ সেক্রেটারি

Update Time : 08:22:44 pm, Sunday, 1 February 2026

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন নেসা সিদ্দীকা বলেছেন, নারীরা জামায়াতের আমির হতে পারবেন না। আমরা একটা ইসলামি দল। আসলে পুরুষই নারীর পরিচালক, এটা মেনে নিয়ে আমরা রাজনীতিতে এসেছি।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।

এদিন দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দলটির মহিলা শাখার চার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নূরুন নেসা সিদ্দীকা বলেন, শীর্ষ পদে নারীরা ক্ষমতায় আছে কিনা সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নারীর অধিকার আদায় হচ্ছে কিনা।

জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি আরও বলেন, গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশে দুইজন নারী প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিলেন। কিন্তু নারীদের সমস্যার তেমন একটা পরিবর্তন ঘটেনি।

এদিন বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে বসে মহিলা জামায়াতের নেত্রীরা। ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে নানা অভিযোগ সিইসির কাছে উপস্থাপন করা হয়।

জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন নেসা সিদ্দীকা, সহকারী সেক্রেটারি সাঈদা রুম্মান, সদস্য মারজিয়া বেগম ও ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট বৈঠকে অংশ নেন।

এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য অলিউল্লাহ নোমান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে জামায়াতের নারী নেত্রীরা বলেন, ভোটের প্রচারে গিয়ে দলটির নারী সদস্যরা আক্রমণের শিকার হন। নারী কর্মীরা যখন ভোটের প্রচারণায় যাচ্ছেন তখন একদল লোক হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন নারীরা। সাইবার সিকিউরিটি আইনে প্রস্তুতি নিয়েছি। এ ধরনের কার্যক্রম এবং দলের শীর্ষ নেতার আইডি হ্যাক করে কুরুচিপূর্ণ ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য করা হচ্ছে।

যারা এ কাজে জড়িত তাদের খোঁজ নিয়ে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান জামায়াতের এই নারী নেত্রীরা। তারা বলেন, আমরা সুন্দর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রত্যাশা করছি। এটি জাতিরও প্রত্যাশা। দুটো নির্বাচন একসঙ্গে হচ্ছে। এই নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটা ইতিবাচক নির্বাচন আমাদের প্রত্যাশা।

এ ব্যাপারে সরকার দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

জামায়াত নেত্রীরা বলেন, এই প্রথম জামাতের মহিলা উইং থেকে আমরা নির্বাচন কমিশন এসেছি। সারা বাংলাদেশে আমাদের মা-বোনদের ওপর যে হামলা হয়েছে সে বিষয়ে আমরা কথা বলেছি। আমরা ঘরে বসে থাকতে পারিনি। আমরা স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। বাংলাদেশে ফিফটি পার্সেন্ট নারী। আমরা সুষ্ঠু একটা পরিবেশ ভোট দিতে চাই। এই বোনদের প্রতিহত করতে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমাদের ৫০ পার্সেন্ট আমরা রিপ্রেজেন্ট করছি। এই অর্গানাইজেশনে আমাদের অধিকার দিচ্ছে, আমাদের সম্মান দিচ্ছে। আমাদের মেয়েদের মধ্যে কাজ হচ্ছে। আমরা লিডারশিপ দিচ্ছি। আমরা ট্রেনিং নিচ্ছি। কিছু মহল এই অ্যাক্টিভিটি পছন্দ করছে না। তাই প্রতিহিংসার কারণে আমাদের ওপর হামলা করছে। আমরা কোনো খারাপ কাজ করছি না। একটা সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ করে দেওয়ার জন্য ইসির কাছে দাবি জানিয়েছি।