Dhaka 3:25 am, Wednesday, 3 June 2026
শিরোনাম :
দুর্দান্ত অভিনেতা শুভাশীষ দত্ত তন্ময় এর অভিনীত “দমের মাদার” নাটকের ৮০ তম মঞ্চায়ন আজ জিনিয়া তাসমিন টুম্পা প্রতারণা মামলায় আবারও আলোচনায় বাবুল আখতার মা হারানো শিশুর হৃদয়ছোঁয়া গল্পে নির্মিত নাটক ‘মা তুমি কোন আকাশে থাকো’ প্রেমের ফাঁদ, কোটি টাকার প্রতারণা! নার্স টুম্পাকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সিলেট পলিটেকনিকে স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে “বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩” উদযাপিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত না ফেরার দেশে সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ জামিনে মুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন গাজীপুর-৪ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জান্নাতুল ফেরদৌসী

দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত

এআই নির্মিত।

দেশে আবারও আঘাত হেনেছে ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৩।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে চট্টগ্রামের কক্সবাজার থেকে ২২২ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়।

তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা স্থাপনার ক্ষয়-ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি এখন পর্যন্ত কেউ এটি অনুভব করার তথ্যও জানায়নি।

অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প বিষয়ক তথ্য প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, অগভীর ভূমিকম্পটির গভীরতা মাটির ১০ কিলোমিটার নিচে ছিল।

এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে ৪ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয় দেশে। ওই সময় ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার কলারোয়া। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া এলাকায়। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১৫০ কিলোমিটার।

বাংলাদেশ কেন ভূমিকম্পপ্রবণ?

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তিনটি টেকটোনিক প্লেটের মিলনের জন্য বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম অস্থির ভূতাত্ত্বিক অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত। আর উচ্চ ঝুঁকির অঞ্চলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলটি বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। সেই সঙ্গে রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রাম মাঝারি ঝুঁকির আওতাধীন।

টেকটোনিক প্লেটের সংযোগ: ভারতীয় প্লেট, ইউরেশীয় প্লেট ও মিয়ানমারের প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত বাংলাদেশ। এর মধ্যে প্রতি বছর ভারতীয় প্লেটটি প্রায় ৬ সেন্টিমিটার গতিতে উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং ইউরেশীয় ও মিয়ানমারের প্লেটের নিচে প্রবেশ করছে। প্লেটগুলোর ক্রমাগত নড়াচড়ার কারণে প্রচুর শক্তি সঞ্চয় হতে থাকে। যা হঠাৎ উন্মুক্ত হলে ভূমিকম্প সৃষ্ট হয়।

ফল্ট লাইন: বাংলাদেশ এবং এর আশপাশের অঞ্চলে কয়েকটি সক্রিয় চ্যুতি বা ফল্ট লাইন রয়েছে। যেমন- ডাউকি ফল্ট জোন, বগুড়া ফল্ট জোন, ত্রিপুরা ফল্ট জোন, শিংল মালভূমি এবং আসাম ফল্ট জোন। এসব ফল্ট জোনগুলোয় জমা শক্তি নির্গত হলে তখন মাঝারি থেকে বড় ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ব-দ্বীপ বাংলাদেশ: বিশ্বের বৃহত্তম সক্রিয় ব-দ্বীপগুলোর মধ্যে একটি বাংলাদেশ। এ কারণে এর নরম মাটি ও ভূগর্ভস্থ গঠন ভূমিকম্পের সম্ভাবনা এবং ক্ষতির পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে অপরিকল্পিত নগরায়নের জন্য ভূমিম্পের ঝুঁকি অনেক বেশি।

Timeless Blog

Nulla at nunc in ipsum dictum tincidunt ac rhoncus tellus. Vestibulum convallis non elit euismod malesuada. Nulla eget tempor arcu. Etiam dignissim arcu non fermentum sollicitudin. Cras eget vulputate eros. Morbi nulla tellus, volutpat sit amet semper ut, consequat sit amet velit. Morbi non mauris vel orci rhoncus aliquet eu quis felis. Donec lobortis viverra nulla non bibendum.

About Author Information

দুর্দান্ত অভিনেতা শুভাশীষ দত্ত তন্ময় এর অভিনীত “দমের মাদার” নাটকের ৮০ তম মঞ্চায়ন আজ

দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত

Update Time : 09:04:35 pm, Monday, 16 February 2026

দেশে আবারও আঘাত হেনেছে ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৩।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে চট্টগ্রামের কক্সবাজার থেকে ২২২ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়।

তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা স্থাপনার ক্ষয়-ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি এখন পর্যন্ত কেউ এটি অনুভব করার তথ্যও জানায়নি।

অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প বিষয়ক তথ্য প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, অগভীর ভূমিকম্পটির গভীরতা মাটির ১০ কিলোমিটার নিচে ছিল।

এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে ৪ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয় দেশে। ওই সময় ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার কলারোয়া। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া এলাকায়। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১৫০ কিলোমিটার।

বাংলাদেশ কেন ভূমিকম্পপ্রবণ?

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তিনটি টেকটোনিক প্লেটের মিলনের জন্য বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম অস্থির ভূতাত্ত্বিক অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত। আর উচ্চ ঝুঁকির অঞ্চলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলটি বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। সেই সঙ্গে রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রাম মাঝারি ঝুঁকির আওতাধীন।

টেকটোনিক প্লেটের সংযোগ: ভারতীয় প্লেট, ইউরেশীয় প্লেট ও মিয়ানমারের প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত বাংলাদেশ। এর মধ্যে প্রতি বছর ভারতীয় প্লেটটি প্রায় ৬ সেন্টিমিটার গতিতে উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং ইউরেশীয় ও মিয়ানমারের প্লেটের নিচে প্রবেশ করছে। প্লেটগুলোর ক্রমাগত নড়াচড়ার কারণে প্রচুর শক্তি সঞ্চয় হতে থাকে। যা হঠাৎ উন্মুক্ত হলে ভূমিকম্প সৃষ্ট হয়।

ফল্ট লাইন: বাংলাদেশ এবং এর আশপাশের অঞ্চলে কয়েকটি সক্রিয় চ্যুতি বা ফল্ট লাইন রয়েছে। যেমন- ডাউকি ফল্ট জোন, বগুড়া ফল্ট জোন, ত্রিপুরা ফল্ট জোন, শিংল মালভূমি এবং আসাম ফল্ট জোন। এসব ফল্ট জোনগুলোয় জমা শক্তি নির্গত হলে তখন মাঝারি থেকে বড় ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ব-দ্বীপ বাংলাদেশ: বিশ্বের বৃহত্তম সক্রিয় ব-দ্বীপগুলোর মধ্যে একটি বাংলাদেশ। এ কারণে এর নরম মাটি ও ভূগর্ভস্থ গঠন ভূমিকম্পের সম্ভাবনা এবং ক্ষতির পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে অপরিকল্পিত নগরায়নের জন্য ভূমিম্পের ঝুঁকি অনেক বেশি।