Dhaka 12:06 am, Sunday, 19 April 2026
শিরোনাম :
সিলেট পলিটেকনিকে স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে “বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩” উদযাপিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত না ফেরার দেশে সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ জামিনে মুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন গাজীপুর-৪ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জান্নাতুল ফেরদৌসী পহেলা বৈশাখের দিন ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে চাঁদাবাজদের ‘পক্ষপাতমুক্ত’ তালিকা তৈরির কাজ করছে র‍্যাব সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনী তফশিল ঘোষণা নতুন দায়িত্বে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. শামছুল ইসলাম

সিলেট জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে শোকজ 

সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলম।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গুলি করার আদেশ দিয়েছিলেন, এ তথ্য সরবরাহ না করায় সিলেটের জেলা প্রশাসককে (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের ২ নম্বর আমলি আদালতেরসিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত তালুকদার ৮ ফেব্রুয়ারি এ আদেশ দেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায়।

তবে নোটিশটি এখনও বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পর্যন্ত হাতে পাননি বলে জানিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুরে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ধারাবহর এলাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে তাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুলী বেগম গোলাপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে তাঁর স্বামী নিহত হয়েছেন বলে বাদী মামলায় অভিযোগ করেন।

পরে মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিলেটের পরিদর্শক নূর মোহাম্মদকে দেওয়া হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গত বছরের ২২ এপ্রিল সিলেটের জেলা প্রশাসক এবং বিজিবির শ্রীমঙ্গলের সেক্টর সদর দপ্তরের উপমহাপরিচালককে পৃথক দুটি আবেদন পাঠান। এতে মামলার তদন্তের স্বার্থে সুনির্দিষ্ট কিছু তথ্য ও কাগজপত্র চাওয়া হয়। এর মধ্যে জেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, কোন ম্যাজিস্ট্রেট সেদিন গুলির আদেশ দিয়েছিলেন। অন্যদিকে বিজিবির কাছে জানতে চাওয়া হয়, সেদিন ঘটনাস্থলে কোন কোন সদস্য ছিলেন।

তবে তথ্য না পাওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে বিষয়টি জানান। গত বছরের ১৫ জুন আদালত জেলা প্রশাসক ও বিজিবির উপ-মহাপরিচালককে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তার চাহিত তথ্য সরবরাহের আদেশ দিলে বিজিবি তথ্য সরবরাহ করে। তবে জেলা প্রশাসক তথ্য সরবরাহ করেননি। এ অবস্থায় ৮ ফেব্রুয়ারি আদালত জেলা প্রশাসককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন।

আদেশে আদালত উল্লেখ করেন, আদেশ প্রদান করার দীর্ঘদিন পরও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তার চাওয়া তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ না করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এটা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল।

আদালতের নোটিশে বলা হয়, এমন কাজকে আদালতের আদেশ অমান্য ও বিচারকাজে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে গণ্য করে কেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না কিংবা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া যাবে না, তা ১৫ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর জন্য জেলা প্রশাসককে বলা হয়।

Timeless Blog

Nulla at nunc in ipsum dictum tincidunt ac rhoncus tellus. Vestibulum convallis non elit euismod malesuada. Nulla eget tempor arcu. Etiam dignissim arcu non fermentum sollicitudin. Cras eget vulputate eros. Morbi nulla tellus, volutpat sit amet semper ut, consequat sit amet velit. Morbi non mauris vel orci rhoncus aliquet eu quis felis. Donec lobortis viverra nulla non bibendum.

About Author Information

সিলেট পলিটেকনিকে স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত

সিলেট জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে শোকজ 

Update Time : 10:35:00 pm, Thursday, 19 February 2026

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গুলি করার আদেশ দিয়েছিলেন, এ তথ্য সরবরাহ না করায় সিলেটের জেলা প্রশাসককে (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের ২ নম্বর আমলি আদালতেরসিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত তালুকদার ৮ ফেব্রুয়ারি এ আদেশ দেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায়।

তবে নোটিশটি এখনও বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পর্যন্ত হাতে পাননি বলে জানিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুরে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ধারাবহর এলাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে তাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুলী বেগম গোলাপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে তাঁর স্বামী নিহত হয়েছেন বলে বাদী মামলায় অভিযোগ করেন।

পরে মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিলেটের পরিদর্শক নূর মোহাম্মদকে দেওয়া হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গত বছরের ২২ এপ্রিল সিলেটের জেলা প্রশাসক এবং বিজিবির শ্রীমঙ্গলের সেক্টর সদর দপ্তরের উপমহাপরিচালককে পৃথক দুটি আবেদন পাঠান। এতে মামলার তদন্তের স্বার্থে সুনির্দিষ্ট কিছু তথ্য ও কাগজপত্র চাওয়া হয়। এর মধ্যে জেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, কোন ম্যাজিস্ট্রেট সেদিন গুলির আদেশ দিয়েছিলেন। অন্যদিকে বিজিবির কাছে জানতে চাওয়া হয়, সেদিন ঘটনাস্থলে কোন কোন সদস্য ছিলেন।

তবে তথ্য না পাওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে বিষয়টি জানান। গত বছরের ১৫ জুন আদালত জেলা প্রশাসক ও বিজিবির উপ-মহাপরিচালককে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তার চাহিত তথ্য সরবরাহের আদেশ দিলে বিজিবি তথ্য সরবরাহ করে। তবে জেলা প্রশাসক তথ্য সরবরাহ করেননি। এ অবস্থায় ৮ ফেব্রুয়ারি আদালত জেলা প্রশাসককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন।

আদেশে আদালত উল্লেখ করেন, আদেশ প্রদান করার দীর্ঘদিন পরও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তার চাওয়া তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ না করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এটা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল।

আদালতের নোটিশে বলা হয়, এমন কাজকে আদালতের আদেশ অমান্য ও বিচারকাজে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে গণ্য করে কেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না কিংবা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া যাবে না, তা ১৫ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর জন্য জেলা প্রশাসককে বলা হয়।