প্রতিবছরের ন্যায় এবারও আয়োজিত হল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ–এর সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের ‘ দোয়া ও ইফতার মাহফিল–২০২৬’ ।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনের মাধ্যমে রমজানের পবিত্রতা ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের বার্তা তুলে ধরা হয়।
বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে বিভাগটির শিক্ষকমণ্ডলী, অ্যালামনাই কমিটির সদস্য এবং সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের চেয়ারম্যান ও কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন কাজী আব্দুল মান্নান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক সামিয়া আসাদী এবং সহকারী অধ্যাপক তানিয়া সুলতানা।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে কাজী আব্দুল মান্নান বলেন, শিক্ষক–শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের পারস্পরিক বন্ধন একটি বিভাগের অন্যতম বড় শক্তি। তিনি বলেন, “সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা, আর এই বিভাগের শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ধরনের আয়োজন সেই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে।”
অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ হতে সভাপতি আলী আফতাব ভূঁইয়া তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করে বলেন, এই আয়োজন শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক জোরদারের একটি সুযোগ। তিনি জানান, ঈদুল ফিতরের পর অ্যালামনাইদের অংশগ্রহণে একটি ডে-লং পিকনিক আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
পাশাপাশি সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত জানান, বিভাগের অ্যালামনাই নেটওয়ার্ককে সক্রিয় রাখতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। “এ ধরনের আয়োজন সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচয়, যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি করে”।
সাংগঠনিক সম্পাদক ইশতিয়াক ইমন জানান, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে অ্যালামনাইদের সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন কার্যক্রম আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
ইফতারের আগে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এবারের আয়োজনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, রমজানের এই আয়োজন তাদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এবং অনেকের কাছে এটি ঈদের আগেই এক ধরনের আনন্দঘন পুনর্মিলনী হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানের শেষলগ্নে অংশগ্রহণকারীরা বিভাগের উন্নয়ন এবং অ্যালামনাই নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ইকরামুল হাসান 









