Dhaka 1:04 am, Wednesday, 3 June 2026
শিরোনাম :
দুর্দান্ত অভিনেতা শুভাশীষ দত্ত তন্ময় এর অভিনীত “দমের মাদার” নাটকের ৮০ তম মঞ্চায়ন আজ জিনিয়া তাসমিন টুম্পা প্রতারণা মামলায় আবারও আলোচনায় বাবুল আখতার মা হারানো শিশুর হৃদয়ছোঁয়া গল্পে নির্মিত নাটক ‘মা তুমি কোন আকাশে থাকো’ প্রেমের ফাঁদ, কোটি টাকার প্রতারণা! নার্স টুম্পাকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সিলেট পলিটেকনিকে স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে “বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩” উদযাপিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত না ফেরার দেশে সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ জামিনে মুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন গাজীপুর-৪ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জান্নাতুল ফেরদৌসী

কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ-বিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে- প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন । তিনি বলেন, আমরা আজ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসেছি। এক কাতারে রয়েছি। এটিই আমাদের আবহমানকালের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ-বিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত ও বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বগুড়ার বায়তুল রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের ইমাম হোসাইন আহমেদ আবদুল্লাহর হাতে সম্মানীর চেক তুলে দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে আইবাস (iBAS) সিস্টেমে ‘সেন্ড’ বাটন চাপ দিয়ে নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সম্মানীর অর্থ পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে যাদের প্রয়োজন তাদের সবাইকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিস্টান—বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সবাই মিলেই ভালো থাকব উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। নাগরিকদেরও রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে আরও স্বনির্ভর হয়ে উঠবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, কর্মসূচির প্রথম ধাপে পাইলটিং স্কিমের আওতায় দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন ধর্মীয় নেতা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে আরও অনেককে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, নাগরিকদের দুর্বল রেখে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না। দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করেই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।

ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিহিংসা ও সহিংসতামুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ গঠনে ধর্মের উদারনৈতিক শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য সমাজে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Timeless Blog

Nulla at nunc in ipsum dictum tincidunt ac rhoncus tellus. Vestibulum convallis non elit euismod malesuada. Nulla eget tempor arcu. Etiam dignissim arcu non fermentum sollicitudin. Cras eget vulputate eros. Morbi nulla tellus, volutpat sit amet semper ut, consequat sit amet velit. Morbi non mauris vel orci rhoncus aliquet eu quis felis. Donec lobortis viverra nulla non bibendum.

About Author Information

দুর্দান্ত অভিনেতা শুভাশীষ দত্ত তন্ময় এর অভিনীত “দমের মাদার” নাটকের ৮০ তম মঞ্চায়ন আজ

কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ-বিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে- প্রধানমন্ত্রীর

Update Time : 06:33:34 pm, Saturday, 14 March 2026

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন । তিনি বলেন, আমরা আজ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসেছি। এক কাতারে রয়েছি। এটিই আমাদের আবহমানকালের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ-বিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত ও বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বগুড়ার বায়তুল রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের ইমাম হোসাইন আহমেদ আবদুল্লাহর হাতে সম্মানীর চেক তুলে দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে আইবাস (iBAS) সিস্টেমে ‘সেন্ড’ বাটন চাপ দিয়ে নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সম্মানীর অর্থ পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে যাদের প্রয়োজন তাদের সবাইকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিস্টান—বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সবাই মিলেই ভালো থাকব উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। নাগরিকদেরও রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে আরও স্বনির্ভর হয়ে উঠবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, কর্মসূচির প্রথম ধাপে পাইলটিং স্কিমের আওতায় দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন ধর্মীয় নেতা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে আরও অনেককে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, নাগরিকদের দুর্বল রেখে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না। দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করেই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।

ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিহিংসা ও সহিংসতামুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ গঠনে ধর্মের উদারনৈতিক শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য সমাজে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।