Dhaka 12:48 am, Sunday, 19 April 2026
শিরোনাম :
সিলেট পলিটেকনিকে স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে “বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩” উদযাপিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত না ফেরার দেশে সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ জামিনে মুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন গাজীপুর-৪ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জান্নাতুল ফেরদৌসী পহেলা বৈশাখের দিন ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে চাঁদাবাজদের ‘পক্ষপাতমুক্ত’ তালিকা তৈরির কাজ করছে র‍্যাব সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনী তফশিল ঘোষণা নতুন দায়িত্বে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. শামছুল ইসলাম

জরুরিভিত্তিতে আগামীকাল হতে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

ফাইল ছবি।

৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুদের আগামীকাল রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে জরুরিভিত্তিতে হামের টিকা দেওয়া শুরু করছে সরকার।

শনিবার (৪ এপ্রিল) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এই জরুরি টিকাদান কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে, যার লক্ষ্য দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের সব শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনা বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধনী দিনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নবাবগঞ্জে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত পাবনা সদরে, স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী গাজীপুরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। বাকি স্পটগুলোতে সিভিল সার্জন স্থানীয় প্রতিনিধিদের নিয়ে কার্যক্রম শুরু করবেন।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব শিশুর শরীরে জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদের এই সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া হাম আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে সহায়ক।

জানা গেছে, প্রাথমকিভাবে দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় জরুরিভিত্তিতে এ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। এই উপজেলাগুলো হচ্ছে— বরগুনা সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, ঢাকার নবাবগঞ্জ, গাজীপুর সদর, যশোর সদর, ঝালকাঠির নলছিটি, মাদারীপুর সদর, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, নাটোর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, নওগাঁর পোরশা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, সদর ও ভোলাহাট, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, রাজশাহীর গোদাগাড়ী এবং শরীয়তপুরের জাজিরা।

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, জরুরি এ কর্মসূচির আওতায় ১২ লাখ ৩ হাজার ২৬৭ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে।

Timeless Blog

Nulla at nunc in ipsum dictum tincidunt ac rhoncus tellus. Vestibulum convallis non elit euismod malesuada. Nulla eget tempor arcu. Etiam dignissim arcu non fermentum sollicitudin. Cras eget vulputate eros. Morbi nulla tellus, volutpat sit amet semper ut, consequat sit amet velit. Morbi non mauris vel orci rhoncus aliquet eu quis felis. Donec lobortis viverra nulla non bibendum.

About Author Information

সিলেট পলিটেকনিকে স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত

জরুরিভিত্তিতে আগামীকাল হতে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

Update Time : 06:26:39 pm, Saturday, 4 April 2026

৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুদের আগামীকাল রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে জরুরিভিত্তিতে হামের টিকা দেওয়া শুরু করছে সরকার।

শনিবার (৪ এপ্রিল) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এই জরুরি টিকাদান কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে, যার লক্ষ্য দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের সব শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনা বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধনী দিনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নবাবগঞ্জে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত পাবনা সদরে, স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী গাজীপুরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। বাকি স্পটগুলোতে সিভিল সার্জন স্থানীয় প্রতিনিধিদের নিয়ে কার্যক্রম শুরু করবেন।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব শিশুর শরীরে জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদের এই সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া হাম আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে সহায়ক।

জানা গেছে, প্রাথমকিভাবে দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় জরুরিভিত্তিতে এ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। এই উপজেলাগুলো হচ্ছে— বরগুনা সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, ঢাকার নবাবগঞ্জ, গাজীপুর সদর, যশোর সদর, ঝালকাঠির নলছিটি, মাদারীপুর সদর, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, নাটোর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, নওগাঁর পোরশা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, সদর ও ভোলাহাট, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, রাজশাহীর গোদাগাড়ী এবং শরীয়তপুরের জাজিরা।

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, জরুরি এ কর্মসূচির আওতায় ১২ লাখ ৩ হাজার ২৬৭ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে।