Dhaka 7:36 pm, Thursday, 5 February 2026
শিরোনাম :
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে ১১৬ অধ্যাদেশ, ১৪ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পন্ন রমজান মাস উপলক্ষে অফিস সময়সূচীতে পরিবর্তন আমরা যখন ইউনিফর্মে থাকব, তখন কোনো পক্ষপাতিত্ব করতে পারবো না- বিমানবাহিনী প্রধান পাকিস্তানকে ক্রীড়া উপদেষ্টার ধন্যবাদ জ্ঞাপন চলমান যুদ্ধবিরতির মাঝে আবারও গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা, নিহত ২৩ ভেদাভেদের আগে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করাই বিএনপির লক্ষ্য- ডা. জুবাইদা রহমান মব ভায়োলেন্স বলে কোনো কিছু নেই- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা, ২৬টি বিষয়ে অগ্রাধিকার জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যু ২৪ ঘন্টা না পেরোতেই ফের ভূমিকম্প!

ঢাকাকে হারিয়ে শেষ চারে রংপুর

টানা তিন ম্যাচ হারের পর প্লে-অফে খেলাটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল রংপুর রাইডার্সের জন্য। যে কারনে নেতৃত্বেও পরিবর্তন এনেছিলো বিপিএলের শক্তিশালী ফ্রাঞ্চাইজিটি। নুরুল হাসান সোহানকে বাদ দিয়ে অধিনায়ক করা হয়েছে লিটন কুমার দাসকে।

 

নেতৃত্ব পরিবর্তনের সঙ্গে ফলেও পরিবর্তন এলো রংপুর রাইডার্সের। ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১১ রানে হারিয়ে চতুর্ত দল হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত করলো তারা। সে সঙ্গে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেলো ঢাকা ক্যাপিটালসের। আগেরদিন বিদায় নিশ্চিত হয়েছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের। এবার সে তালিকায় যুক্ত হলো ঢাকা।

 

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রংপুর রাইডার্স সংগ্রহ করে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান। যদিও রংপুরের এতবড় স্কোরের পেছনে অবদান ছিল ঢাকার ফিল্ডারদের। তাদের বাজে ফিল্ডিং ঢাকাকে বড় স্কোর গড়তে সহায়তা করে। জবাব দিতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রানে থেমে যায় ঢাকা।

 

টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা। ব্যাট করতে নামে রংপুর রাইডার্স। ডেভিড মালান এবং তাওহিদ হৃদয় মিলে গড়ে তোলেন ১২৬ রানের অনবদ্য এক জুটি। যদিও ঢাকার ফিল্ডারদের বদান্যতায় এতবড় জুটিটি করতে পারলেন তারা দু’জন।

 

দলীয় ১২৬ রানের মাথায় প্রথম আউট হন ডেভিড মালান। ৪৯ বরে ৭৮ রান করেন তিনি। ইনিংসটি সাজানো ছিল ৮টি বাউন্ডারি ও ৪টি ছক্কার মার। তাওহিদ হৃদয় করেন ৪৬ বলে ৬২ রান। তার ইনিংসেও ছিল ৪টি ছক্কা। বাউন্ডারি ছিল ৫টি।

 

পরের ব্যাটারদের মধ্যে ১৬ বলে ২৪ রান করেন কাইল মায়ার্স। খুশদিল শাহ অপরাজিত ছিলেন ৬ রানে। নুরুর হাসান সোহান করেন ১ রান।

 

জবাব দিতে নেমে ভালো ব্যাটিং করে ঢাকাও। যদিও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেন ৩০ বলে। ৩টি বাউন্ডারির সঙ্গে ছক্কার মার মারেন ৫টি। মোহাম্মদ মিথুন করেন ২৫ রান, ২০ রান করেন ইমাদ ওয়াসিম।

 

৯ ম্যাচে রংপুরের পয়েন্ট ১০। ঢাকা ক্যাপিটালস এবং নোয়াখালি এক্সপ্রেসের পয়েন্ট ৯ ম্যাচে সমান ৪ করে। বাকি থাকা এক ম্যাচ জিতলেও আর প্লে-অফে ওঠার সুযোগ নেই এই দুই দলের। সে হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত হলো- রাজশাহীয় ওয়ারিয়র্স (৯ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট), চট্টগ্রাম রয়্যালস (৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট), সিলেট টাইটান্স (১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট) ও রংপুর রাইডার্স (৯ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট)।

Tag :

Timeless Blog

Nulla at nunc in ipsum dictum tincidunt ac rhoncus tellus. Vestibulum convallis non elit euismod malesuada. Nulla eget tempor arcu. Etiam dignissim arcu non fermentum sollicitudin. Cras eget vulputate eros. Morbi nulla tellus, volutpat sit amet semper ut, consequat sit amet velit. Morbi non mauris vel orci rhoncus aliquet eu quis felis. Donec lobortis viverra nulla non bibendum.

About Author Information

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে ১১৬ অধ্যাদেশ, ১৪ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পন্ন

ঢাকাকে হারিয়ে শেষ চারে রংপুর

Update Time : 07:50:56 pm, Saturday, 17 January 2026

টানা তিন ম্যাচ হারের পর প্লে-অফে খেলাটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল রংপুর রাইডার্সের জন্য। যে কারনে নেতৃত্বেও পরিবর্তন এনেছিলো বিপিএলের শক্তিশালী ফ্রাঞ্চাইজিটি। নুরুল হাসান সোহানকে বাদ দিয়ে অধিনায়ক করা হয়েছে লিটন কুমার দাসকে।

 

নেতৃত্ব পরিবর্তনের সঙ্গে ফলেও পরিবর্তন এলো রংপুর রাইডার্সের। ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১১ রানে হারিয়ে চতুর্ত দল হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত করলো তারা। সে সঙ্গে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেলো ঢাকা ক্যাপিটালসের। আগেরদিন বিদায় নিশ্চিত হয়েছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের। এবার সে তালিকায় যুক্ত হলো ঢাকা।

 

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রংপুর রাইডার্স সংগ্রহ করে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান। যদিও রংপুরের এতবড় স্কোরের পেছনে অবদান ছিল ঢাকার ফিল্ডারদের। তাদের বাজে ফিল্ডিং ঢাকাকে বড় স্কোর গড়তে সহায়তা করে। জবাব দিতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রানে থেমে যায় ঢাকা।

 

টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা। ব্যাট করতে নামে রংপুর রাইডার্স। ডেভিড মালান এবং তাওহিদ হৃদয় মিলে গড়ে তোলেন ১২৬ রানের অনবদ্য এক জুটি। যদিও ঢাকার ফিল্ডারদের বদান্যতায় এতবড় জুটিটি করতে পারলেন তারা দু’জন।

 

দলীয় ১২৬ রানের মাথায় প্রথম আউট হন ডেভিড মালান। ৪৯ বরে ৭৮ রান করেন তিনি। ইনিংসটি সাজানো ছিল ৮টি বাউন্ডারি ও ৪টি ছক্কার মার। তাওহিদ হৃদয় করেন ৪৬ বলে ৬২ রান। তার ইনিংসেও ছিল ৪টি ছক্কা। বাউন্ডারি ছিল ৫টি।

 

পরের ব্যাটারদের মধ্যে ১৬ বলে ২৪ রান করেন কাইল মায়ার্স। খুশদিল শাহ অপরাজিত ছিলেন ৬ রানে। নুরুর হাসান সোহান করেন ১ রান।

 

জবাব দিতে নেমে ভালো ব্যাটিং করে ঢাকাও। যদিও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেন ৩০ বলে। ৩টি বাউন্ডারির সঙ্গে ছক্কার মার মারেন ৫টি। মোহাম্মদ মিথুন করেন ২৫ রান, ২০ রান করেন ইমাদ ওয়াসিম।

 

৯ ম্যাচে রংপুরের পয়েন্ট ১০। ঢাকা ক্যাপিটালস এবং নোয়াখালি এক্সপ্রেসের পয়েন্ট ৯ ম্যাচে সমান ৪ করে। বাকি থাকা এক ম্যাচ জিতলেও আর প্লে-অফে ওঠার সুযোগ নেই এই দুই দলের। সে হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত হলো- রাজশাহীয় ওয়ারিয়র্স (৯ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট), চট্টগ্রাম রয়্যালস (৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট), সিলেট টাইটান্স (১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট) ও রংপুর রাইডার্স (৯ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট)।