Dhaka 8:40 pm, Saturday, 18 April 2026
শিরোনাম :
সিলেট পলিটেকনিকে স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে “বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩” উদযাপিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত না ফেরার দেশে সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ জামিনে মুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন গাজীপুর-৪ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জান্নাতুল ফেরদৌসী পহেলা বৈশাখের দিন ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে চাঁদাবাজদের ‘পক্ষপাতমুক্ত’ তালিকা তৈরির কাজ করছে র‍্যাব সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনী তফশিল ঘোষণা নতুন দায়িত্বে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. শামছুল ইসলাম

বিডিআর  হত্যাকাণ্ড ছিল দেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র ও অপপ্রয়াস- প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর হত্যাকাণ্ড ছিল বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র ও অপপ্রয়াস । একে জাতীয় নিরাপত্তার দুর্বলতা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শহীদ সেনা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত আর্মি মাল্টিপারপাস হলে শহীদ সেনা অফিসারদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলে সকলের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ও স্বাধীনতা পরবর্তী দেশ গঠনে সেনাবাহিনীর রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। সেনাবাহিনী আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। আমি মনে করি, পিলখানার এই মর্মান্তিক ঘটনা ছিল আমাদের সার্বভৌমত্বকে নস্যাৎ এর একটি অপপ্রয়াস।’

পিলখানা ট্র্যাজেডির পরকালীন পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, ‘পিলখানার ঘটনার পরিক্রমায় আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর দুর্বলতা ফুটে ওঠে। তাই বহির্বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও আধুনিক, সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে আমাদের সরকার কাজ করবে।’

শহীদ সেনা পরিবারগুলোর দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে ইতিহাসে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না। সেনাবাহিনী ও আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করে ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতে বর্তমান সরকার কাজ করবে।’

তারেক রহমান তার বক্তব্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পুনর্গঠনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে শুরু করে পরবর্তীকালে সীমান্ত বাহিনীকে আধুনিক ও ব্যাটালিয়ন আকারে পুনর্গঠন করার যে দূরদর্শী কাজ শহীদ জিয়া শুরু করেছিলেন, সেই ধারাকে আরও বেগবান করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রশ্নে আমরা সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করব। আমাদের সদস্যরা দেশপ্রেম ও পেশাগত উৎকর্ষতায় সীমান্তে দায়িত্ব পালন করবে।’ একই সঙ্গে তিনি পিলখানায় নিহত ৫৭ জন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদের পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও স্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।’

এসময় প্রধানমন্ত্রী সেদিন পিলখানায় থাকা সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহমর্মিতা জানান। পরে ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

Timeless Blog

Nulla at nunc in ipsum dictum tincidunt ac rhoncus tellus. Vestibulum convallis non elit euismod malesuada. Nulla eget tempor arcu. Etiam dignissim arcu non fermentum sollicitudin. Cras eget vulputate eros. Morbi nulla tellus, volutpat sit amet semper ut, consequat sit amet velit. Morbi non mauris vel orci rhoncus aliquet eu quis felis. Donec lobortis viverra nulla non bibendum.

About Author Information

সিলেট পলিটেকনিকে স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত

বিডিআর  হত্যাকাণ্ড ছিল দেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র ও অপপ্রয়াস- প্রধানমন্ত্রী

Update Time : 10:42:40 pm, Wednesday, 25 February 2026

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর হত্যাকাণ্ড ছিল বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র ও অপপ্রয়াস । একে জাতীয় নিরাপত্তার দুর্বলতা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শহীদ সেনা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত আর্মি মাল্টিপারপাস হলে শহীদ সেনা অফিসারদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলে সকলের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ও স্বাধীনতা পরবর্তী দেশ গঠনে সেনাবাহিনীর রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। সেনাবাহিনী আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। আমি মনে করি, পিলখানার এই মর্মান্তিক ঘটনা ছিল আমাদের সার্বভৌমত্বকে নস্যাৎ এর একটি অপপ্রয়াস।’

পিলখানা ট্র্যাজেডির পরকালীন পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, ‘পিলখানার ঘটনার পরিক্রমায় আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর দুর্বলতা ফুটে ওঠে। তাই বহির্বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও আধুনিক, সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে আমাদের সরকার কাজ করবে।’

শহীদ সেনা পরিবারগুলোর দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে ইতিহাসে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না। সেনাবাহিনী ও আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করে ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতে বর্তমান সরকার কাজ করবে।’

তারেক রহমান তার বক্তব্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পুনর্গঠনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে শুরু করে পরবর্তীকালে সীমান্ত বাহিনীকে আধুনিক ও ব্যাটালিয়ন আকারে পুনর্গঠন করার যে দূরদর্শী কাজ শহীদ জিয়া শুরু করেছিলেন, সেই ধারাকে আরও বেগবান করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রশ্নে আমরা সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করব। আমাদের সদস্যরা দেশপ্রেম ও পেশাগত উৎকর্ষতায় সীমান্তে দায়িত্ব পালন করবে।’ একই সঙ্গে তিনি পিলখানায় নিহত ৫৭ জন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদের পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও স্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।’

এসময় প্রধানমন্ত্রী সেদিন পিলখানায় থাকা সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহমর্মিতা জানান। পরে ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।