ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্যাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে ইরানের বক্তব্যের ভিন্নতার জেরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ট্রাম্পের আলোচনার দাবি এবং তেহরানের অস্বীকার— এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে তেলের দাম। এতে করে বাজারে দোলাচল আরও বেড়েছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনার দাবি করলেও তা অস্বীকার করেছে তেহরান। এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই আবারও বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ১০২ দশমিক ৮৪ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৯১ দশমিক ২০ ডলারে।
এর আগের দিন সোমবার (২৩ মার্চ) ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তেহরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো’ আলোচনা হওয়ায় ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। তার এই মন্তব্যের পর বাজারে প্রতিক্রিয়া দেখা যায় এবং ব্রেন্টের দাম একদিনেই ১০ শতাংশের বেশি পড়ে যায়।
তবে ইরানি কর্মকর্তারা ট্রাম্পের এ দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, তেল ও আর্থিক বাজারকে প্রভাবিত করার জন্যই ট্রাম্প এমন মন্তব্য করেছেন।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, সোমবার বড় পতনের পর মঙ্গলবার এশিয়ার লেনদেনে তেলের দাম আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে ১০৩ দশমিক ৬৯ ডলারে পৌঁছায়। অন্যদিকে নাইমেক্স লাইট সুইট ক্রুড ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৯১ দশমিক ৫৫ ডলারে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের শান্তি আলোচনার ইঙ্গিত এবং ইরানের তা অস্বীকার— এই দুই বিপরীত বার্তার মধ্যে পড়ে বিনিয়োগকারীরা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 














