Dhaka 7:37 pm, Thursday, 5 February 2026
শিরোনাম :
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে ১১৬ অধ্যাদেশ, ১৪ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পন্ন রমজান মাস উপলক্ষে অফিস সময়সূচীতে পরিবর্তন আমরা যখন ইউনিফর্মে থাকব, তখন কোনো পক্ষপাতিত্ব করতে পারবো না- বিমানবাহিনী প্রধান পাকিস্তানকে ক্রীড়া উপদেষ্টার ধন্যবাদ জ্ঞাপন চলমান যুদ্ধবিরতির মাঝে আবারও গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা, নিহত ২৩ ভেদাভেদের আগে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করাই বিএনপির লক্ষ্য- ডা. জুবাইদা রহমান মব ভায়োলেন্স বলে কোনো কিছু নেই- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা, ২৬টি বিষয়ে অগ্রাধিকার জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যু ২৪ ঘন্টা না পেরোতেই ফের ভূমিকম্প!

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণ মামলায় বাংলাদেশের জয়

সুনামগঞ্জের ছাতকে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক আদালত। ২০০৫ সালে সংঘটিত ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের ঘটনায় ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (ইকসিড) কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোকে ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালটিতে গ্যাসের ক্ষতি বাবদ ১১৮ মিলিয়ন ও রাষ্ট্রের ক্ষতি বাবদ ৮৯৬ মিলিয়ন ডলারের একটি হিসাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে হিসাবে বিস্ফোরণের ফলে পরিবেশগত ক্ষতি ও স্বাস্থ্যগত ক্ষতির হিসাব যোগের আবেদনও করা হয়েছিল।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান গণমাধ্যমকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নাইকোকে ৪২ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।

সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রের উন্নয়নে ২০০৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানির সঙ্গে কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোর চুক্তি হয়। পরবর্তীতে কূপ খনন শুরু হলে ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি গ্যাসক্ষেত্রটিতে মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এরপর একই বছরের ২৪ জুন দ্বিতীয় দফায় গ্যাসক্ষেত্রটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। এর ফলে গ্যাসক্ষেত্র ও এর আশপাশের এলাকায় পরিবেশ ও জনজীবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

উক্ত ঘটনায় পেট্রোবাংলা নাইকোর কাছে ৭৪৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করলেও বিদেশি কোম্পানিটি তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে ক্ষতিপূরণ আদায়ে নাইকোর বিরুদ্ধে স্থানীয় নিম্ন আদালতে মামলা করে পেট্রোবাংলা।

Tag :

Timeless Blog

Nulla at nunc in ipsum dictum tincidunt ac rhoncus tellus. Vestibulum convallis non elit euismod malesuada. Nulla eget tempor arcu. Etiam dignissim arcu non fermentum sollicitudin. Cras eget vulputate eros. Morbi nulla tellus, volutpat sit amet semper ut, consequat sit amet velit. Morbi non mauris vel orci rhoncus aliquet eu quis felis. Donec lobortis viverra nulla non bibendum.

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে ১১৬ অধ্যাদেশ, ১৪ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পন্ন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণ মামলায় বাংলাদেশের জয়

Update Time : 11:17:19 pm, Thursday, 29 January 2026

সুনামগঞ্জের ছাতকে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক আদালত। ২০০৫ সালে সংঘটিত ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের ঘটনায় ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (ইকসিড) কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোকে ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালটিতে গ্যাসের ক্ষতি বাবদ ১১৮ মিলিয়ন ও রাষ্ট্রের ক্ষতি বাবদ ৮৯৬ মিলিয়ন ডলারের একটি হিসাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে হিসাবে বিস্ফোরণের ফলে পরিবেশগত ক্ষতি ও স্বাস্থ্যগত ক্ষতির হিসাব যোগের আবেদনও করা হয়েছিল।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান গণমাধ্যমকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নাইকোকে ৪২ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।

সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রের উন্নয়নে ২০০৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানির সঙ্গে কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোর চুক্তি হয়। পরবর্তীতে কূপ খনন শুরু হলে ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি গ্যাসক্ষেত্রটিতে মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এরপর একই বছরের ২৪ জুন দ্বিতীয় দফায় গ্যাসক্ষেত্রটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। এর ফলে গ্যাসক্ষেত্র ও এর আশপাশের এলাকায় পরিবেশ ও জনজীবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

উক্ত ঘটনায় পেট্রোবাংলা নাইকোর কাছে ৭৪৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করলেও বিদেশি কোম্পানিটি তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে ক্ষতিপূরণ আদায়ে নাইকোর বিরুদ্ধে স্থানীয় নিম্ন আদালতে মামলা করে পেট্রোবাংলা।