Dhaka 7:37 pm, Thursday, 5 February 2026
শিরোনাম :
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে ১১৬ অধ্যাদেশ, ১৪ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পন্ন রমজান মাস উপলক্ষে অফিস সময়সূচীতে পরিবর্তন আমরা যখন ইউনিফর্মে থাকব, তখন কোনো পক্ষপাতিত্ব করতে পারবো না- বিমানবাহিনী প্রধান পাকিস্তানকে ক্রীড়া উপদেষ্টার ধন্যবাদ জ্ঞাপন চলমান যুদ্ধবিরতির মাঝে আবারও গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা, নিহত ২৩ ভেদাভেদের আগে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করাই বিএনপির লক্ষ্য- ডা. জুবাইদা রহমান মব ভায়োলেন্স বলে কোনো কিছু নেই- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা, ২৬টি বিষয়ে অগ্রাধিকার জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যু ২৪ ঘন্টা না পেরোতেই ফের ভূমিকম্প!

চলমান যুদ্ধবিরতির মাঝে আবারও গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা, নিহত ২৩

গত বছরের অক্টোবরে তথাকথিত ‘অস্ত্রবিরতি’ কার্যকর হওয়ার পর গাজায় আবারও প্রাণঘাতী হামলাগুলোর একটি চালিয়েছে ইসরায়েল।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় দখলদার বাহিনীর হামলায় অন্তত ২৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। চিকিৎসা সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

নিহতদের মধ্যে একাধিক শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো। তাদের মধ্যে ১১ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুও রয়েছে। গাজা সিটির তুফফাহ ও জেইতুন এলাকায় ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে অন্তত ১৪ জন নিহত হন। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের দক্ষিণে কিজান আবু রাশওয়ান এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয় নেয়া তাঁবুতে হামলায় আরও চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এছাড়া আল-মাওয়াসি উপকূলীয় তাঁবু শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় আরও দুইজন নিহত হন। ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, নিহতদের একজন ছিলেন জরুরি সেবাকর্মী হুসেইন হাসান হুসেইন আল-সুমাইরি।

খান ইউনিস থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক তারেক আবু আজ্জুম জানান, গাজা সিটিতে একাধিক আবাসিক ভবনে কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সরাসরি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

তারেক আবু আজ্জুম বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত ‘‘অস্ত্রবিরতি’’ কার্যকর থাকার কথা থাকলেও এসব হামলার ফলে গাজার ফিলিস্তিনিরা কোনো ধরনের স্বস্তি পাচ্ছেন না। গত কয়েক ঘণ্টায় গাজাজুড়ে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা হঠাৎ বেড়েছে। আমরা আকাশে ইসরায়েলি ড্রোনের শব্দ শুনতে পাচ্ছি, যা আরও হামলার আশঙ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, উত্তর গাজায় তাদের এক রিজার্ভ কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হওয়ার পর বিমান হামলা চালানো হয়। সেনাবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, ‘‘ইয়েলো লাইন’’-এর কাছে নিয়মিত অভিযানের সময় এ ঘটনা ঘটে। ‘‘ইয়েলো লাইন’’ বলতে ইসরায়েলি সামরিক নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা বোঝানো হয়।

প্রায় চার মাস আগে ‘অস্ত্রবিরতি’ কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ৫২০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৭১ হাজার ৮০৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংগঠন ও জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযাকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা চলমান রয়েছে।

Timeless Blog

Nulla at nunc in ipsum dictum tincidunt ac rhoncus tellus. Vestibulum convallis non elit euismod malesuada. Nulla eget tempor arcu. Etiam dignissim arcu non fermentum sollicitudin. Cras eget vulputate eros. Morbi nulla tellus, volutpat sit amet semper ut, consequat sit amet velit. Morbi non mauris vel orci rhoncus aliquet eu quis felis. Donec lobortis viverra nulla non bibendum.

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে ১১৬ অধ্যাদেশ, ১৪ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পন্ন

চলমান যুদ্ধবিরতির মাঝে আবারও গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা, নিহত ২৩

Update Time : 12:23:06 pm, Thursday, 5 February 2026

গত বছরের অক্টোবরে তথাকথিত ‘অস্ত্রবিরতি’ কার্যকর হওয়ার পর গাজায় আবারও প্রাণঘাতী হামলাগুলোর একটি চালিয়েছে ইসরায়েল।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় দখলদার বাহিনীর হামলায় অন্তত ২৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। চিকিৎসা সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

নিহতদের মধ্যে একাধিক শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো। তাদের মধ্যে ১১ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুও রয়েছে। গাজা সিটির তুফফাহ ও জেইতুন এলাকায় ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে অন্তত ১৪ জন নিহত হন। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের দক্ষিণে কিজান আবু রাশওয়ান এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয় নেয়া তাঁবুতে হামলায় আরও চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এছাড়া আল-মাওয়াসি উপকূলীয় তাঁবু শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় আরও দুইজন নিহত হন। ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, নিহতদের একজন ছিলেন জরুরি সেবাকর্মী হুসেইন হাসান হুসেইন আল-সুমাইরি।

খান ইউনিস থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক তারেক আবু আজ্জুম জানান, গাজা সিটিতে একাধিক আবাসিক ভবনে কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সরাসরি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

তারেক আবু আজ্জুম বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত ‘‘অস্ত্রবিরতি’’ কার্যকর থাকার কথা থাকলেও এসব হামলার ফলে গাজার ফিলিস্তিনিরা কোনো ধরনের স্বস্তি পাচ্ছেন না। গত কয়েক ঘণ্টায় গাজাজুড়ে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা হঠাৎ বেড়েছে। আমরা আকাশে ইসরায়েলি ড্রোনের শব্দ শুনতে পাচ্ছি, যা আরও হামলার আশঙ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, উত্তর গাজায় তাদের এক রিজার্ভ কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হওয়ার পর বিমান হামলা চালানো হয়। সেনাবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, ‘‘ইয়েলো লাইন’’-এর কাছে নিয়মিত অভিযানের সময় এ ঘটনা ঘটে। ‘‘ইয়েলো লাইন’’ বলতে ইসরায়েলি সামরিক নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা বোঝানো হয়।

প্রায় চার মাস আগে ‘অস্ত্রবিরতি’ কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ৫২০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৭১ হাজার ৮০৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংগঠন ও জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযাকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা চলমান রয়েছে।